০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্যবসা থেকে তিনি বছরে আয় দেখিয়েছেন ৯ লাখ টাকা। অথচ, ২০২৫-২৬ সালের আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা হলফনামার তথ্যের তিনগুণেরও বেশি। আয়ের দুরকম তথ্যই হলফনামায় দিয়েছেন তিনি।

সারজিসের হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে আয়ের গরমিল

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসন থেকে লড়বেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। সেজন্য নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দিয়েছেন তিনি। তবে, হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে আয়ের গরমিল পাওয়া গেছে।

২৭ বছর বয়সি এই নেতা হলফনামায় নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ব্যবসা থেকে তিনি বছরে আয় দেখিয়েছেন ৯ লাখ টাকা। অথচ, ২০২৫-২৬ সালের আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা হলফনামার তথ্যের তিনগুণেরও বেশি। আয়ের দুরকম তথ্যই হলফনামায় দিয়েছেন তিনি।

শুধু আয় নয়, সারজিসের সম্পদের তথ্যেও গরমিল রয়েছে। তিনি আয়কর রিটার্নে মোট ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকার সম্পদের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু হলফনামার বিবরণে উল্লেখযোগ্যভাবে কম সম্পদ দেখানো হয়েছে।

হলফনামার অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ ৩ লাখ ১১ হাজার ১২৮ টাকা এবং ব্যাংকে এক লাখ টাকা জমা থাকার কথা উল্লেখ করেছেন সারজিস আলম। এর বাইরে তার ৭৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও ৭৫ হাজার টাকার আসবাব আছে। তবে কোনো স্বর্ণালংকার নেই।

স্থাবর সম্পদ হিসেবে দান পাওয়া সাড়ে ১৬ শতাংশ কৃষিজমি আছে তার, যার অর্জনকালীন মূল্য সাড়ে ৭ হাজার টাকা হলেও বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তিনি ১০ লাখ টাকার মালিক।

ড. ইউনুস সহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে আইনি নোটিশ

ব্যবসা থেকে তিনি বছরে আয় দেখিয়েছেন ৯ লাখ টাকা। অথচ, ২০২৫-২৬ সালের আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা হলফনামার তথ্যের তিনগুণেরও বেশি। আয়ের দুরকম তথ্যই হলফনামায় দিয়েছেন তিনি।

সারজিসের হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে আয়ের গরমিল

সময় ০২:৫৫:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসন থেকে লড়বেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। সেজন্য নির্বাচন কমিশনে হলফনামা জমা দিয়েছেন তিনি। তবে, হলফনামা ও আয়কর রিটার্নে আয়ের গরমিল পাওয়া গেছে।

২৭ বছর বয়সি এই নেতা হলফনামায় নিজেকে একজন ব্যবসায়ী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ব্যবসা থেকে তিনি বছরে আয় দেখিয়েছেন ৯ লাখ টাকা। অথচ, ২০২৫-২৬ সালের আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করা হয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা হলফনামার তথ্যের তিনগুণেরও বেশি। আয়ের দুরকম তথ্যই হলফনামায় দিয়েছেন তিনি।

শুধু আয় নয়, সারজিসের সম্পদের তথ্যেও গরমিল রয়েছে। তিনি আয়কর রিটার্নে মোট ৩৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকার সম্পদের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু হলফনামার বিবরণে উল্লেখযোগ্যভাবে কম সম্পদ দেখানো হয়েছে।

হলফনামার অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ ৩ লাখ ১১ হাজার ১২৮ টাকা এবং ব্যাংকে এক লাখ টাকা জমা থাকার কথা উল্লেখ করেছেন সারজিস আলম। এর বাইরে তার ৭৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও ৭৫ হাজার টাকার আসবাব আছে। তবে কোনো স্বর্ণালংকার নেই।

স্থাবর সম্পদ হিসেবে দান পাওয়া সাড়ে ১৬ শতাংশ কৃষিজমি আছে তার, যার অর্জনকালীন মূল্য সাড়ে ৭ হাজার টাকা হলেও বর্তমানে আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তিনি ১০ লাখ টাকার মালিক।