০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অধ্যক্ষ আমিনুল হক-কে অপসারণ ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবীতে মানবন্ধন

  • Reporter Name
  • সময় ০৯:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৩৯ ভিউ হয়েছে

✪ নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আমিনুল হক-কে অপসারণ, গ্রেপ্তার, শাস্তি ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেছে প্রতিষ্ঠানটির চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা।

৩ জানুয়ারী (শনিবার) দুপুর বারোটার কিছু পর প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচী পালিত হয়। এসময়, চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা বলেন, আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ধারাবাহিক কর্মসূচীসহ আমরণ অনশনের মতো কর্মসূচীতে যাবেন তারা।

চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা দাবি জানান, অবিলম্বে অবৈধ ও দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আমিনুল হককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তাকে যে অবৈধ উপায়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তা বাতিল করে তার সমস্ত সম্পত্তি ও আত্মসাৎকৃত টাকা বাজেয়াপ্ত করতে হবে। আমাদের (আনোয়ার, কেরামত ও সাগর রানা) অবিলম্বে সসম্মানে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে। আর যদি কোন নাটক করা হয় কিংবা কালক্ষেপণ করা হয় তাহলে আমরা পরিবার সমেত এই পবিত্র কলেজের গেটেই আমরণ অনশন করে শহিদ হয়ে যাবো।

তারা আরও জানান, উক্ত শিক্ষাঙ্গনকে যিনি নিজের ব্যক্তিগত ‘রামরাজত্ব’ এবং ‘আয়নাঘর’ বানিয়ে তুলেছিলেন, সেই দুর্নীতিবাজ ও স্বৈরাচারী অধ্যক্ষ আমিনুল হকের মুখোশ আজ উন্মোচিত। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্তে তার বিরুদ্ধে ১৬টি গুরুতর অভিযোগ সরাসরি প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের ওপর হওয়া জুলুমের বিচার চাই।

তদন্ত প্রতিবেদনের ৬ নম্বর অভিযোগে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমাদের—অর্থাৎ আনোয়ার হোসেন, কেরামত আলী ও সাগর রানাকে—শুধুমাত্র নিয়োগ বাণিজ্যের পথ পরিষ্কার করার জন্য এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের জায়গায় আওয়ামী লীগের দোসরদের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন এই আমিনুল হক। আমরা আমাদের হারানো চাকরি এবং বকেয়া পাওনা সসম্মানে ফেরত চাই- বলেও তারা জানান।।

ডিআইএ তদন্তে প্রমাণিত অধ্যক্ষ আমিনুল হকের ভয়ংকর অপরাধসমূহ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, নির্বাচনী সন্ত্রাস ও হত্যার হুমকি: তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, অধ্যক্ষ আমিনুল হক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রস্তাবক ছিলেন। তিনি কলেজের গাড়ি ব্যবহার করে ভোট জালিয়াতি করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের ভয় দেখাতেন এবং ভোট কম পড়লে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দিতেন। (তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগ নং ৫)।
গোপন বেডরুম ও নৈতিক স্খলন: কলেজের নিজ অফিসে তিনি ‘গোপন বেডরুম’ বানিয়ে ছাত্রীদের জিম্মি করতেন। কোনো ছাত্রী স্বাক্ষর দিতে না চাইলে তাকে পরীক্ষা দিতে না দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঢাকা ছাড়ার নির্দেশ দিতেন। এটি একজন শিক্ষকের নয়, একজন অপরাধীর কাজ বলে চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা জানান। এরআগে মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল হকের অফিসে গোপন বেডরুম শিরোমানে নিউজপোর্টাল টাইমস অব ক্যাম্পাসে প্রকাশিত হলে বেডরুম থেকে খাট সড়িয়ে ফেলা হয়।

নিয়োগ জালিয়াতি ও ৩২ লক্ষ টাকার ঘুষ: তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, অধ্যক্ষ আমিনুল হক নিজেই অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রথম প্রকাশিত রেজাল্ট শিটে তার নাম ছিল না, কিন্তু ৩২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এবং নানকের ক্ষমতায় দ্বিতীয় তালিকায় তার নাম ঢুকিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি এই চেয়ার দখল করেছেন। (তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগ নং ১৯)।

আর্থিক লুটপাট ও হরিলুট: ১৭ লক্ষ টাকার গাড়ি কিনে ৩৮ লক্ষ টাকার ভুয়া বিল করা হয়েছে। বাকি ২১ লক্ষ টাকা তিনি আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের পেছনে খরচ করেছেন। এছাড়াও কলেজের পরীক্ষার ফান্ড থেকে অবৈধভাবে ১৪% টাকা তিনি নিজে পকেটে ভরেছেন। (তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগ নং ১ ও ৩)।

শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর মানসিক টর্চার: প্রতিবাদী কণ্ঠরোধ করতে তিনি গত কয়েক বছরে শিক্ষকদের ৬০টি কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন। তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও শক্তিশালী মনে করতেন এবং মাঝেমধ্যেই শিক্ষকদের ‘ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার’ হুমকি দিতেন।

এসময়, চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা জাতির কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, “ডিআইএ তদন্তে ১৬টি গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পরও, কোন ‘অদৃশ্য খুঁটির জোরে’ এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ এখনো স্বপদে বহাল? আমরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কলেজের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানকের লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু, তিনি ব্যবস্থা নেননি। মাউশিতে অভিযোগ করে রেখেছি। কিন্তু, তারাও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অথচ- এই অবৈধ অধ্যক্ষ আমিনুল হক তাদেরকে যা বলে তারা তাই শোনে-এর কারণ কি!
কেন মাউশি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে? আমরা কি তবে স্বাধীন দেশেও ন্যায়বিচার পাব না? কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আমরা অবৈতনিক দায়িত্ব পালন করেছি এখানে। এই বৃদ্ধ বয়সে কোথায় যাবো জাতির কাছে জানতে চাই”!

এসময় তারা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং শিক্ষা উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, এই ‘মূর্তিমান সম্রাট’ আমিনুল হকের কবল থেকে এই ঐতিহ্যবাহী কলেজকে রক্ষা করুন। তাদের রুটি-রুজি ফিরিয়ে দেয়া সহ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা।

ড. ইউনুস সহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে আইনি নোটিশ

অধ্যক্ষ আমিনুল হক-কে অপসারণ ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবীতে মানবন্ধন

সময় ০৯:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

✪ নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আমিনুল হক-কে অপসারণ, গ্রেপ্তার, শাস্তি ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেছে প্রতিষ্ঠানটির চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা।

৩ জানুয়ারী (শনিবার) দুপুর বারোটার কিছু পর প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকে উক্ত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচী পালিত হয়। এসময়, চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা বলেন, আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ধারাবাহিক কর্মসূচীসহ আমরণ অনশনের মতো কর্মসূচীতে যাবেন তারা।

চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা দাবি জানান, অবিলম্বে অবৈধ ও দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আমিনুল হককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তাকে যে অবৈধ উপায়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তা বাতিল করে তার সমস্ত সম্পত্তি ও আত্মসাৎকৃত টাকা বাজেয়াপ্ত করতে হবে। আমাদের (আনোয়ার, কেরামত ও সাগর রানা) অবিলম্বে সসম্মানে চাকরিতে পুনর্বহাল করতে হবে। আর যদি কোন নাটক করা হয় কিংবা কালক্ষেপণ করা হয় তাহলে আমরা পরিবার সমেত এই পবিত্র কলেজের গেটেই আমরণ অনশন করে শহিদ হয়ে যাবো।

তারা আরও জানান, উক্ত শিক্ষাঙ্গনকে যিনি নিজের ব্যক্তিগত ‘রামরাজত্ব’ এবং ‘আয়নাঘর’ বানিয়ে তুলেছিলেন, সেই দুর্নীতিবাজ ও স্বৈরাচারী অধ্যক্ষ আমিনুল হকের মুখোশ আজ উন্মোচিত। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্তে তার বিরুদ্ধে ১৬টি গুরুতর অভিযোগ সরাসরি প্রমাণিত হয়েছে। আমাদের ওপর হওয়া জুলুমের বিচার চাই।

তদন্ত প্রতিবেদনের ৬ নম্বর অভিযোগে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমাদের—অর্থাৎ আনোয়ার হোসেন, কেরামত আলী ও সাগর রানাকে—শুধুমাত্র নিয়োগ বাণিজ্যের পথ পরিষ্কার করার জন্য এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের জায়গায় আওয়ামী লীগের দোসরদের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়েছেন এই আমিনুল হক। আমরা আমাদের হারানো চাকরি এবং বকেয়া পাওনা সসম্মানে ফেরত চাই- বলেও তারা জানান।।

ডিআইএ তদন্তে প্রমাণিত অধ্যক্ষ আমিনুল হকের ভয়ংকর অপরাধসমূহ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, নির্বাচনী সন্ত্রাস ও হত্যার হুমকি: তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, অধ্যক্ষ আমিনুল হক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রস্তাবক ছিলেন। তিনি কলেজের গাড়ি ব্যবহার করে ভোট জালিয়াতি করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের ভয় দেখাতেন এবং ভোট কম পড়লে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দিতেন। (তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগ নং ৫)।
গোপন বেডরুম ও নৈতিক স্খলন: কলেজের নিজ অফিসে তিনি ‘গোপন বেডরুম’ বানিয়ে ছাত্রীদের জিম্মি করতেন। কোনো ছাত্রী স্বাক্ষর দিতে না চাইলে তাকে পরীক্ষা দিতে না দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঢাকা ছাড়ার নির্দেশ দিতেন। এটি একজন শিক্ষকের নয়, একজন অপরাধীর কাজ বলে চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা জানান। এরআগে মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল হকের অফিসে গোপন বেডরুম শিরোমানে নিউজপোর্টাল টাইমস অব ক্যাম্পাসে প্রকাশিত হলে বেডরুম থেকে খাট সড়িয়ে ফেলা হয়।

নিয়োগ জালিয়াতি ও ৩২ লক্ষ টাকার ঘুষ: তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, অধ্যক্ষ আমিনুল হক নিজেই অবৈধভাবে নিয়োগ পেয়েছেন। প্রথম প্রকাশিত রেজাল্ট শিটে তার নাম ছিল না, কিন্তু ৩২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে এবং নানকের ক্ষমতায় দ্বিতীয় তালিকায় তার নাম ঢুকিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি এই চেয়ার দখল করেছেন। (তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগ নং ১৯)।

আর্থিক লুটপাট ও হরিলুট: ১৭ লক্ষ টাকার গাড়ি কিনে ৩৮ লক্ষ টাকার ভুয়া বিল করা হয়েছে। বাকি ২১ লক্ষ টাকা তিনি আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের পেছনে খরচ করেছেন। এছাড়াও কলেজের পরীক্ষার ফান্ড থেকে অবৈধভাবে ১৪% টাকা তিনি নিজে পকেটে ভরেছেন। (তদন্ত প্রতিবেদন, অভিযোগ নং ১ ও ৩)।

শিক্ষক-কর্মচারীদের ওপর মানসিক টর্চার: প্রতিবাদী কণ্ঠরোধ করতে তিনি গত কয়েক বছরে শিক্ষকদের ৬০টি কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছেন। তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও শক্তিশালী মনে করতেন এবং মাঝেমধ্যেই শিক্ষকদের ‘ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার’ হুমকি দিতেন।

এসময়, চাকরিচ্যুত কর্মচারীরা জাতির কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, “ডিআইএ তদন্তে ১৬টি গুরুতর অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পরও, কোন ‘অদৃশ্য খুঁটির জোরে’ এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ এখনো স্বপদে বহাল? আমরা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে কলেজের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানকের লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু, তিনি ব্যবস্থা নেননি। মাউশিতে অভিযোগ করে রেখেছি। কিন্তু, তারাও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। অথচ- এই অবৈধ অধ্যক্ষ আমিনুল হক তাদেরকে যা বলে তারা তাই শোনে-এর কারণ কি!
কেন মাউশি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছে? আমরা কি তবে স্বাধীন দেশেও ন্যায়বিচার পাব না? কলেজ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আমরা অবৈতনিক দায়িত্ব পালন করেছি এখানে। এই বৃদ্ধ বয়সে কোথায় যাবো জাতির কাছে জানতে চাই”!

এসময় তারা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং শিক্ষা উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, এই ‘মূর্তিমান সম্রাট’ আমিনুল হকের কবল থেকে এই ঐতিহ্যবাহী কলেজকে রক্ষা করুন। তাদের রুটি-রুজি ফিরিয়ে দেয়া সহ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান চাকুরীচ্যুত কর্মচারীরা।