০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল হকের খুঁটির জোর কোথায়!

  • Reporter Name
  • সময় ০৫:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮১ ভিউ হয়েছে

✪মেহেদী হাসান:
“মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের অফিসে গোপন বেডরুমের সন্ধান” শিরোনামে টাইমস অব ক্যাম্পাস ডটকম-এ চলতি বছরের গত ১লা নভেম্বর অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশিত হলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রী-অভিভাবক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা অধিদপ্তর সহ সারাদেশ জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সংবাদ প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, সংবাদের বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আমিনুল হক তড়িঘড়ি করে ৩রা নভেম্বর সেই খাট সড়িয়ে ফেলেন। বর্তমানে সেই গোপন খাটটি কলেজ হোস্টেল সুপারভাইজারের কক্ষে রয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।

সম্প্রতি, আবারও আলোচনায় এসেছে মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল হক। আজ ২১ ডিসেম্বর জাতীয় দৈনিক মুক্তখবর পত্রিকায় “নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগের দোসর অধ্যক্ষ আমিনুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ” শিরোনামে-সংবাদ প্রকাশিত হলে টক অব দ্যা মোহাম্মদপুরে পরিণত সৃষ্টি হয়।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ পতিত আওয়ামীলীগের দোসর ও রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল হক বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে আওয়ামীগের পক্ষে জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রস্তাবক হয়ে মনোনয়ন উত্তোলন ও নির্বাচন কমিশনে দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি অংশ নিয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের ভোট নিশ্চিতকরণ ও মেরে ফেলার হুমকি সহ নানকের ছত্রছায়ায় কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপর নির্যাতন, হুমকি, শোকজ, চাকুরী থেকে জোরপূর্বক অব্যাহতি, নিয়োগ বাণিজ্য, নিজ অফিসে গোপন বেডরুমে ছাত্রী জিম্মি, নারী কেলেঙ্কারী, হিসাবনিকেশে অস্বচ্ছতা, অনিয়ম-দূর্নীতির একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে নানকের প্রতিচ্ছবি অধ্যক্ষ আমিনুল হক একজন ভয়ঙ্কর মূর্তিমান সম্রাট ছিলেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একছাত্রী জানান, অধ্যক্ষ আমিনুল হক তাকে অফিস রুমে ডেকে নিয়ে দীর্ঘ দুই ঘন্টা আটকে রেখে জোরপূর্বক লিখিত নিয়ে স্বাক্ষর করে নেন। স্বাক্ষর না করলে পরীক্ষা দিতে দিবে না বলেও হুমকি দেন। এমনকি, স্বাক্ষর নেয়ার পরে ঢাকা ছাড়ার নির্দেশনা দেন অধ্যক্ষ আমিনুল। সেই ছাত্রী প্রাণ ভয়ে তার ভাইকে সাথে নিয়ে সেদিনই ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

লিখিত এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্ত প্রতিবেদনে ২২ টি অভিযোগের মধ্যে সরাসরি ১৬ টি গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বাকি ৬ টি অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ আমিনুল হক স্বপদে বহাল থাকায় সংশোধন করে নেন এবং তথ্য-উপাত্ত তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সরবরাহ না করায় সুস্পষ্ট মন্তব্য পাওয়া যায়নি জানা যায় তদন্ত প্রতিবেদনে।

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম রাশিদুল হাসান ও অডিট অফিসার মোঃ ফিরোজ হোসেনের স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্রমতে জানা যায়- “হাসিনার ডামি নির্বাচনে জাহাঙ্গীর কবির নানকের মনোনয়ন পত্রে প্রস্তাবক হিসেবে স্বাক্ষর, গোটা নির্বাচনে কেন্দ্রগুলোতে কলেজের গাড়ি নিয়ে ৪০% থেকে ৫০% ভোট নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের হুমকি দেয়া, এমনকি কারো ভোটের পার্সেন্টেজ কম হলে চাকুরী খাওয়া ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার অভিযোগ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন মতে, অধ্যক্ষ আমিনুল হক সুবিধাবাদী তেলবাজ লোক হওয়ায় কলেজকে আয়নাঘর বানিয়ে এখন আবার বৈষম্য বিরোধী ছাত্রীদের হাত করে নির্যাতনের নতুন যাত্রা শুরু করলেন। পার্থক্য এটুকু, আগে- ব্যবহার করতেন ছাত্রলীগ আর এখন বৈষম্য বিরোধী নামধারী বৈষম্য সৃষ্টিকারী ছাত্রীদের ব্যবহার করে নিরীহ প্রতিবাদী কন্ঠরোধ করা। বিধিবহির্ভূত ভাবে ভয়ভীতি দেখাতে শিক্ষকদের ৬০ টি শোকজ দিয়ে হয়রানী, শিক্ষকদর অসম্মান করার অভিযোগটি প্রমানিত। হাসিনা সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী পিলখানা হত্যার মূলনায়ক নানকের মাধ্যমে ৩২ লক্ষ টাকা ঘুষের মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগকৃত অধ্যক্ষ আমিনুল হককে রেখে বৈষম্যর অবসান সম্ভব নয় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়। নিয়োগ বাণিজ্যের জন্য এমপিও ভূক্ত কর্মচারী আনোয়ার, কেরামত ও সাগর রানাদের জোরপূর্বক অব্যাহতি দিয়ে সভাপতি নানকের প্রভাব খাটিয়ে দূর্নীতির মাধ্যমে আওয়ামী কর্মচারী নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হবার পরেও এখন পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকায় চরম অসন্তোষ ও তীব্র ক্ষোভ দেখা গেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন- অভিযোগের পাহাড়চূড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা অধ্যক্ষ আমিনুল হকের খুঁটির জোর কোথায়! কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এখনো তিনি বুক ফুলিয়ে সদর্পে হাঁটছেন পবিত্র শিক্ষাঙ্গনে।

এসকল অভিযোগের সত্যতা জানতে বারবার অধ্যক্ষ আমিনুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও সাড়া মেলেনি। তবে, ক্ষুদে বার্তা পাঠানোর পরে তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করে টাইমস অব ক্যাম্পাস-কে কলেজে আসতে বলেন।

ড. ইউনুস সহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে আইনি নোটিশ

মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল হকের খুঁটির জোর কোথায়!

সময় ০৫:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

✪মেহেদী হাসান:
“মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের অফিসে গোপন বেডরুমের সন্ধান” শিরোনামে টাইমস অব ক্যাম্পাস ডটকম-এ চলতি বছরের গত ১লা নভেম্বর অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশিত হলে রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রী-অভিভাবক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা অধিদপ্তর সহ সারাদেশ জুড়ে ব্যাপক আলোড়ন ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সংবাদ প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে বসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, সংবাদের বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ আমিনুল হক তড়িঘড়ি করে ৩রা নভেম্বর সেই খাট সড়িয়ে ফেলেন। বর্তমানে সেই গোপন খাটটি কলেজ হোস্টেল সুপারভাইজারের কক্ষে রয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।

সম্প্রতি, আবারও আলোচনায় এসেছে মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল হক। আজ ২১ ডিসেম্বর জাতীয় দৈনিক মুক্তখবর পত্রিকায় “নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগের দোসর অধ্যক্ষ আমিনুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ” শিরোনামে-সংবাদ প্রকাশিত হলে টক অব দ্যা মোহাম্মদপুরে পরিণত সৃষ্টি হয়।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ পতিত আওয়ামীলীগের দোসর ও রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল হক বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে আওয়ামীগের পক্ষে জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রস্তাবক হয়ে মনোনয়ন উত্তোলন ও নির্বাচন কমিশনে দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি অংশ নিয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের ভোট নিশ্চিতকরণ ও মেরে ফেলার হুমকি সহ নানকের ছত্রছায়ায় কলেজের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপর নির্যাতন, হুমকি, শোকজ, চাকুরী থেকে জোরপূর্বক অব্যাহতি, নিয়োগ বাণিজ্য, নিজ অফিসে গোপন বেডরুমে ছাত্রী জিম্মি, নারী কেলেঙ্কারী, হিসাবনিকেশে অস্বচ্ছতা, অনিয়ম-দূর্নীতির একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখতে নানকের প্রতিচ্ছবি অধ্যক্ষ আমিনুল হক একজন ভয়ঙ্কর মূর্তিমান সম্রাট ছিলেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একছাত্রী জানান, অধ্যক্ষ আমিনুল হক তাকে অফিস রুমে ডেকে নিয়ে দীর্ঘ দুই ঘন্টা আটকে রেখে জোরপূর্বক লিখিত নিয়ে স্বাক্ষর করে নেন। স্বাক্ষর না করলে পরীক্ষা দিতে দিবে না বলেও হুমকি দেন। এমনকি, স্বাক্ষর নেয়ার পরে ঢাকা ছাড়ার নির্দেশনা দেন অধ্যক্ষ আমিনুল। সেই ছাত্রী প্রাণ ভয়ে তার ভাইকে সাথে নিয়ে সেদিনই ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি চলে যান বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

লিখিত এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্ত প্রতিবেদনে ২২ টি অভিযোগের মধ্যে সরাসরি ১৬ টি গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। বাকি ৬ টি অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ আমিনুল হক স্বপদে বহাল থাকায় সংশোধন করে নেন এবং তথ্য-উপাত্ত তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সরবরাহ না করায় সুস্পষ্ট মন্তব্য পাওয়া যায়নি জানা যায় তদন্ত প্রতিবেদনে।

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের শিক্ষা পরিদর্শক তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম রাশিদুল হাসান ও অডিট অফিসার মোঃ ফিরোজ হোসেনের স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্রমতে জানা যায়- “হাসিনার ডামি নির্বাচনে জাহাঙ্গীর কবির নানকের মনোনয়ন পত্রে প্রস্তাবক হিসেবে স্বাক্ষর, গোটা নির্বাচনে কেন্দ্রগুলোতে কলেজের গাড়ি নিয়ে ৪০% থেকে ৫০% ভোট নিশ্চিত করতে প্রিজাইডিং অফিসারদের হুমকি দেয়া, এমনকি কারো ভোটের পার্সেন্টেজ কম হলে চাকুরী খাওয়া ও মেরে ফেলার হুমকি দেয়ার অভিযোগ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন মতে, অধ্যক্ষ আমিনুল হক সুবিধাবাদী তেলবাজ লোক হওয়ায় কলেজকে আয়নাঘর বানিয়ে এখন আবার বৈষম্য বিরোধী ছাত্রীদের হাত করে নির্যাতনের নতুন যাত্রা শুরু করলেন। পার্থক্য এটুকু, আগে- ব্যবহার করতেন ছাত্রলীগ আর এখন বৈষম্য বিরোধী নামধারী বৈষম্য সৃষ্টিকারী ছাত্রীদের ব্যবহার করে নিরীহ প্রতিবাদী কন্ঠরোধ করা। বিধিবহির্ভূত ভাবে ভয়ভীতি দেখাতে শিক্ষকদের ৬০ টি শোকজ দিয়ে হয়রানী, শিক্ষকদর অসম্মান করার অভিযোগটি প্রমানিত। হাসিনা সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী পিলখানা হত্যার মূলনায়ক নানকের মাধ্যমে ৩২ লক্ষ টাকা ঘুষের মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগকৃত অধ্যক্ষ আমিনুল হককে রেখে বৈষম্যর অবসান সম্ভব নয় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়। নিয়োগ বাণিজ্যের জন্য এমপিও ভূক্ত কর্মচারী আনোয়ার, কেরামত ও সাগর রানাদের জোরপূর্বক অব্যাহতি দিয়ে সভাপতি নানকের প্রভাব খাটিয়ে দূর্নীতির মাধ্যমে আওয়ামী কর্মচারী নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ প্রমানিত হয়েছে।

তার বিরুদ্ধে এসব গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হবার পরেও এখন পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকায় চরম অসন্তোষ ও তীব্র ক্ষোভ দেখা গেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন- অভিযোগের পাহাড়চূড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা অধ্যক্ষ আমিনুল হকের খুঁটির জোর কোথায়! কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারায় এখনো তিনি বুক ফুলিয়ে সদর্পে হাঁটছেন পবিত্র শিক্ষাঙ্গনে।

এসকল অভিযোগের সত্যতা জানতে বারবার অধ্যক্ষ আমিনুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও সাড়া মেলেনি। তবে, ক্ষুদে বার্তা পাঠানোর পরে তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করে টাইমস অব ক্যাম্পাস-কে কলেজে আসতে বলেন।