০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তদন্তাধীন মামলাগুলোর আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপাতত তাঁদের ক্যান্টনমেন্টের বিশেষ কারাগারে রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ক্যান্টনমেন্টের বিশেষ কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

  • ✪ ধ্রুব নয়ন :
  • সময় ০৩:৪৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫১ ভিউ হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি পৃথক মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারোত্তর কারাবন্দি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১।

বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের মধ্যে ১৪ জন সেনাবাহিনীতে কর্মরত এবং একজন অবসরকালীন ছুটিতে রয়েছেন।

সকাল ৭টার পর ‘বাংলাদেশ জেল প্রিজন ভ্যান’ লেখা সবুজ রঙের গাড়িতে তাঁদের পুরাতন হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এরপর শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তাঁদের কাস্টডিতে (custody) পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ কেন্দ্রীয় কারাগারে নয়— বরং ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত বিশেষ সাব-জেল বা ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরীণ কারাগারে তাঁদের রাখার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

যাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন—
র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এখন অবসরকালীন ছুটিতে)।

এ ছাড়া র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম এবং বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত-বিন-আলমও তালিকায় রয়েছেন।

এদের পাশাপাশি ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক— মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকীকেও একই আদেশে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, তদন্তাধীন মামলাগুলোর আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপাতত তাঁদের ক্যান্টনমেন্টের বিশেষ কারাগারে রাখা হচ্ছে।

ড. ইউনুস সহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে আইনি নোটিশ

তদন্তাধীন মামলাগুলোর আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপাতত তাঁদের ক্যান্টনমেন্টের বিশেষ কারাগারে রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

১৫ সেনা কর্মকর্তাকে ক্যান্টনমেন্টের বিশেষ কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের

সময় ০৩:৪৭:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি পৃথক মামলায় ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারোত্তর কারাবন্দি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১।

বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের মধ্যে ১৪ জন সেনাবাহিনীতে কর্মরত এবং একজন অবসরকালীন ছুটিতে রয়েছেন।

সকাল ৭টার পর ‘বাংলাদেশ জেল প্রিজন ভ্যান’ লেখা সবুজ রঙের গাড়িতে তাঁদের পুরাতন হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এরপর শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তাঁদের কাস্টডিতে (custody) পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ কেন্দ্রীয় কারাগারে নয়— বরং ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত বিশেষ সাব-জেল বা ক্যান্টনমেন্টের অভ্যন্তরীণ কারাগারে তাঁদের রাখার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

যাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন—
র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (এখন অবসরকালীন ছুটিতে)।

এ ছাড়া র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম এবং বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত-বিন-আলমও তালিকায় রয়েছেন।

এদের পাশাপাশি ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক— মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকীকেও একই আদেশে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, তদন্তাধীন মামলাগুলোর আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপাতত তাঁদের ক্যান্টনমেন্টের বিশেষ কারাগারে রাখা হচ্ছে।