০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
"আমরা সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানক, বর্তমান সভাপতি ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আক্তারুজ্জামান, দুদক, মাউশি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বারংবার অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি। মানববন্ধন করলেও কারো সাড়া মেলেনি। অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত পরিচিত শিক্ষা মন্ত্রণায়ের অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মরত এক কর্মকর্তা এবং পলাতক আওয়ামী নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রভাবে এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ এখনো বহাল তবিয়তে আছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। বর্তমান কলেজের সভাপতি ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান স্যারের প্রতি আমাদের আস্থা আছে।

অধ্যক্ষ আমিনুল হকের অপসারণ-শাস্তি ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবিতে আমরণ অনশন

  • মেহেদী ইমাম
  • সময় ০৮:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬ ভিউ হয়েছে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ পতিত আওয়ামী লীগের দোসর ও রাজধানীর স্বনামধ্য মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের দূনীতিবাজ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের অপসারণ-শাস্তি ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন ভূক্তভোগী কর্মচারীরা।

১০ জানুয়ারী (শনিবার) সকাল থেকে তারা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকের সামনে এ অনশন কর্মসূচী শুরু করেন।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারী শনিবার তারা কলেজের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেন। সেসময় তারা ৭২ ঘন্টার মধ্যে অধ্যক্ষের অপসারণ, শাস্তি ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহাল করা না হলে অনশনে বসার হুঁশিয়ারী দেন।

চাকুরীচ্যুত হওয়া অনশনরত ভূক্তভোগী মোঃ আনোয়ার হোসেন ও কেরামত আলী জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (DIA) কর্তৃক প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে অধ্যক্ষ আমিনুল হকের বিরুদ্ধে ২২ টি অভিযোগের মধ্যে ১৬টি গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অধ্যক্ষ আমিনুল হক এখনো স্বপদে বহাল থাকায় বাকি ৬ টি অভিযোগের প্রমাণ লোপাট করার সুযোগ পেয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নানকের হয়ে ঢাকা-১৩ আসনে অধ্যক্ষে আমিনুল হক নানকের নির্বাচনী প্রস্তাবনায় স্বাক্ষর করেন এবং নির্বাচন কমিশন থেকে নমিনেশন উত্তোলন ও জমা দেন। নির্বাচনে কম ভোট পড়লে প্রিজাইডিং অফিসারদের মেরে ফেলার হুমকিও দেন অধ্যক্ষ আমিনুল হক যা তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণিত। এছাড়াও- তিনি নানককে ৩২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে অধ্যক্ষ পদ বাগিয়ে নেন।।

তারা বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বৈধ কর্মচারীদের জোরপূর্বক বহিষ্কার, কলেজের তহবিল থেকে গাড়ি ক্রয় ও অর্থ আত্মসাৎ, এবং অধ্যক্ষের কার্যালয়ে শয়নকক্ষ স্থাপন করে নৈতিক স্খলন। এই ঘটনা নিয়ে ইতোমধ্যে দৈনিক আমার দেশ, মুক্তখবর, সকালের সময়, টাইমস অব ক্যাম্পাস সহ বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

অনশনরত ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন ও কেরামত আলী জানান, “আমরা সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানক, বর্তমান সভাপতি ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আক্তারুজ্জামান, দুদক, মাউশি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বারংবার অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি। মানববন্ধন করলেও কারো সাড়া মেলেনি। অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত পরিচিত শিক্ষা মন্ত্রণায়ের অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মরত এক কর্মকর্তা এবং পলাতক আওয়ামী নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রভাবে এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ এখনো বহাল তবিয়তে আছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। বর্তমান কলেজের সভাপতি ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান স্যারের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। কিন্তু প্রশাসনের গড়িমসির কারণে আমরা আজ নিরুপায়। আগামী এপ্রিলে আমাদের নাম সরকারি তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাবে, তাই বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন ভাঙবো না” বলে তারা জানান।

তদন্তে প্রমাণিত অভিযোগের পাহাড়:
জোরপূর্বক চাকরিচ্যুতি ও নিয়োগ বাণিজ্য: আমাদের (আনোয়ার ও কেরামত) অন্যায়ভাবে বের করে দিয়ে অবৈধ টাকার বিনিময়ে নতুন লোক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ ডিআইএ তদন্ত প্রমাণিত।
বিলাসিতা ও অর্থ আত্মসাৎ: কলেজের তহবিল লুট করে ব্যক্তিগত গাড়ি কেনা এবং ভুয়া বিলের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা পাচার প্রমাণিত।।
নৈতিক স্খলন: অধ্যক্ষের রুমে ব্যক্তিগত ‘বেডরুম’ বানিয়ে নারী কেলেঙ্কারি ও মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতন (যার ভিডিও প্রমাণ সংরক্ষিত) প্রমাণিত।
রাজনৈতিক দালালি: পতিত স্বৈরাচারের দোসর জাহাঙ্গীর কবির নানকের হয়ে ভোট ডাকাতি ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া সহ ১৬ টি গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত।

হুমকি ও প্রশাসনের নির্লজ্জ নীরবতা:
আমরা দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি—দুদক, মাউশি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সর্বত্র অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু মাউশির অসাধু কর্মকর্তা অতিরিক্ত সচিব বেগম বদরুন নাহার এনডিসি-এর মতো কুচক্রীরা টাকার বিনিময়ে এই চোরকে শেল্টার দিচ্ছেন। উল্টো জাহাঙ্গীর কবির নানকের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিল মাসের পর আমাদের নাম সরকারি তালিকা থেকে মুছে যাবে; আমাদের যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই।

কৃতজ্ঞতা ও শেষ ভরসা:
আমরা ধন্যবাদ জানাই DIA-এর সেই সৎ কর্মকর্তাদের যারা চাপের মুখেও সত্য রিপোর্ট দিয়েছেন। আমরা আশার আলো দেখছি কলেজের বর্তমান সভাপতি, সৎ ও সম্মানিত আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান স্যারের ওপর। আমরা বিশ্বাস করি, আইনের রক্ষক হিসেবে তিনি এই খুনি-দুর্নীতিবাজের পক্ষ নেবেন না। একই সাথে তারা শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অনশনরত ভূক্তভোগীদের চূড়ান্ত দাবি:
১. প্রমাণিত চোর আমিনুল হককে এখনই অপসারণ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও গ্রেফতার করতে হবে।
২. আমাদের (আনোয়ার হোসেন ও কেরামত আলী) সসম্মানে চাকরিতে পুনর্বহাল ও সব পাওনা পরিশোধ করতে হবে।
৩. দুর্নীতিবাজকে সহায়তাকারী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কথিত সেই কর্মকর্তাকে বিভাগীয় বিচার করতে হবে।
৪। অবৈধ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে কলেজের কোষাগারে জমা করতে হবে।

বিবেকের কাছে আবেদন:
কোথাও বিচার না পেয়ে আমরা আজ মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই অনশন আমৃত্যু চলবে। আপনাদের সামান্য সমর্থন আমাদের জীবন বাঁচাতে পারে।

একসকল অভিযোগের বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে এবং তদন্তের অগ্রগতির ব্যাপারে জানতে চাইলে মুঠোফোনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেগম বদরুন নাহার এনডিসি মন্তব্যে করতে রাজী নয় বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

ড. ইউনুস সহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে আইনি নোটিশ

"আমরা সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানক, বর্তমান সভাপতি ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আক্তারুজ্জামান, দুদক, মাউশি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বারংবার অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি। মানববন্ধন করলেও কারো সাড়া মেলেনি। অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত পরিচিত শিক্ষা মন্ত্রণায়ের অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মরত এক কর্মকর্তা এবং পলাতক আওয়ামী নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রভাবে এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ এখনো বহাল তবিয়তে আছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। বর্তমান কলেজের সভাপতি ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান স্যারের প্রতি আমাদের আস্থা আছে।

অধ্যক্ষ আমিনুল হকের অপসারণ-শাস্তি ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবিতে আমরণ অনশন

সময় ০৮:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ পতিত আওয়ামী লীগের দোসর ও রাজধানীর স্বনামধ্য মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের দূনীতিবাজ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের অপসারণ-শাস্তি ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন ভূক্তভোগী কর্মচারীরা।

১০ জানুয়ারী (শনিবার) সকাল থেকে তারা প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফটকের সামনে এ অনশন কর্মসূচী শুরু করেন।

এর আগে গত ৩ জানুয়ারী শনিবার তারা কলেজের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করেন। সেসময় তারা ৭২ ঘন্টার মধ্যে অধ্যক্ষের অপসারণ, শাস্তি ও চাকুরীচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহাল করা না হলে অনশনে বসার হুঁশিয়ারী দেন।

চাকুরীচ্যুত হওয়া অনশনরত ভূক্তভোগী মোঃ আনোয়ার হোসেন ও কেরামত আলী জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (DIA) কর্তৃক প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে অধ্যক্ষ আমিনুল হকের বিরুদ্ধে ২২ টি অভিযোগের মধ্যে ১৬টি গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অধ্যক্ষ আমিনুল হক এখনো স্বপদে বহাল থাকায় বাকি ৬ টি অভিযোগের প্রমাণ লোপাট করার সুযোগ পেয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নানকের হয়ে ঢাকা-১৩ আসনে অধ্যক্ষে আমিনুল হক নানকের নির্বাচনী প্রস্তাবনায় স্বাক্ষর করেন এবং নির্বাচন কমিশন থেকে নমিনেশন উত্তোলন ও জমা দেন। নির্বাচনে কম ভোট পড়লে প্রিজাইডিং অফিসারদের মেরে ফেলার হুমকিও দেন অধ্যক্ষ আমিনুল হক যা তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণিত। এছাড়াও- তিনি নানককে ৩২ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে অধ্যক্ষ পদ বাগিয়ে নেন।।

তারা বলেন, নিয়োগ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে বৈধ কর্মচারীদের জোরপূর্বক বহিষ্কার, কলেজের তহবিল থেকে গাড়ি ক্রয় ও অর্থ আত্মসাৎ, এবং অধ্যক্ষের কার্যালয়ে শয়নকক্ষ স্থাপন করে নৈতিক স্খলন। এই ঘটনা নিয়ে ইতোমধ্যে দৈনিক আমার দেশ, মুক্তখবর, সকালের সময়, টাইমস অব ক্যাম্পাস সহ বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

অনশনরত ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন ও কেরামত আলী জানান, “আমরা সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির নানক, বর্তমান সভাপতি ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আক্তারুজ্জামান, দুদক, মাউশি এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বারংবার অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি। মানববন্ধন করলেও কারো সাড়া মেলেনি। অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত পরিচিত শিক্ষা মন্ত্রণায়ের অতিরিক্ত সচিব পদে কর্মরত এক কর্মকর্তা এবং পলাতক আওয়ামী নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রভাবে এই দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ এখনো বহাল তবিয়তে আছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। বর্তমান কলেজের সভাপতি ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান স্যারের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। কিন্তু প্রশাসনের গড়িমসির কারণে আমরা আজ নিরুপায়। আগামী এপ্রিলে আমাদের নাম সরকারি তালিকা থেকে বাদ পড়ে যাবে, তাই বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন ভাঙবো না” বলে তারা জানান।

তদন্তে প্রমাণিত অভিযোগের পাহাড়:
জোরপূর্বক চাকরিচ্যুতি ও নিয়োগ বাণিজ্য: আমাদের (আনোয়ার ও কেরামত) অন্যায়ভাবে বের করে দিয়ে অবৈধ টাকার বিনিময়ে নতুন লোক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ ডিআইএ তদন্ত প্রমাণিত।
বিলাসিতা ও অর্থ আত্মসাৎ: কলেজের তহবিল লুট করে ব্যক্তিগত গাড়ি কেনা এবং ভুয়া বিলের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা পাচার প্রমাণিত।।
নৈতিক স্খলন: অধ্যক্ষের রুমে ব্যক্তিগত ‘বেডরুম’ বানিয়ে নারী কেলেঙ্কারি ও মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতন (যার ভিডিও প্রমাণ সংরক্ষিত) প্রমাণিত।
রাজনৈতিক দালালি: পতিত স্বৈরাচারের দোসর জাহাঙ্গীর কবির নানকের হয়ে ভোট ডাকাতি ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়া সহ ১৬ টি গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত।

হুমকি ও প্রশাসনের নির্লজ্জ নীরবতা:
আমরা দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি—দুদক, মাউশি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সর্বত্র অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু মাউশির অসাধু কর্মকর্তা অতিরিক্ত সচিব বেগম বদরুন নাহার এনডিসি-এর মতো কুচক্রীরা টাকার বিনিময়ে এই চোরকে শেল্টার দিচ্ছেন। উল্টো জাহাঙ্গীর কবির নানকের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এপ্রিল মাসের পর আমাদের নাম সরকারি তালিকা থেকে মুছে যাবে; আমাদের যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই।

কৃতজ্ঞতা ও শেষ ভরসা:
আমরা ধন্যবাদ জানাই DIA-এর সেই সৎ কর্মকর্তাদের যারা চাপের মুখেও সত্য রিপোর্ট দিয়েছেন। আমরা আশার আলো দেখছি কলেজের বর্তমান সভাপতি, সৎ ও সম্মানিত আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান স্যারের ওপর। আমরা বিশ্বাস করি, আইনের রক্ষক হিসেবে তিনি এই খুনি-দুর্নীতিবাজের পক্ষ নেবেন না। একই সাথে তারা শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অনশনরত ভূক্তভোগীদের চূড়ান্ত দাবি:
১. প্রমাণিত চোর আমিনুল হককে এখনই অপসারণ, সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও গ্রেফতার করতে হবে।
২. আমাদের (আনোয়ার হোসেন ও কেরামত আলী) সসম্মানে চাকরিতে পুনর্বহাল ও সব পাওনা পরিশোধ করতে হবে।
৩. দুর্নীতিবাজকে সহায়তাকারী শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কথিত সেই কর্মকর্তাকে বিভাগীয় বিচার করতে হবে।
৪। অবৈধ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে কলেজের কোষাগারে জমা করতে হবে।

বিবেকের কাছে আবেদন:
কোথাও বিচার না পেয়ে আমরা আজ মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে প্রস্তুত। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই অনশন আমৃত্যু চলবে। আপনাদের সামান্য সমর্থন আমাদের জীবন বাঁচাতে পারে।

একসকল অভিযোগের বিষয়ে কি ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে এবং তদন্তের অগ্রগতির ব্যাপারে জানতে চাইলে মুঠোফোনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেগম বদরুন নাহার এনডিসি মন্তব্যে করতে রাজী নয় বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।