✪ টাইমস অব ক্যাম্পাস ডেস্ক রিপোর্ট :
ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতি-ছিনতাই বাড়ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন বেশ কিছু খবর সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হচ্ছে।
ফ্লোরা (FLOORA) নামক ফেইসবুক পেইজ থেকে জানা যায়- “কুমিল্লা থেকে ঢাকায় ফেরার সময় আজ রাত আনুমানিক ২:৪০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জে আমাদের গাড়িতে ডাকাতি হয়। মাত্র ৩ মিনিটের জ্যাম ছিল, তাও ফ্রেশ কোম্পানির গাড়ির কারণে পুরো রাস্তা জ্যাম হয়ে গিয়েছিল। হঠাৎ করে ৭/৮ জনের একটি দল এসে আমাদের গাড়ি ভাঙতে শুরু করে। ৪টা গ্লাসের মধ্যে ৩টা ভেঙে ফেলে, গাড়ি কুপিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আমার বাবার ২টি মোবাইল, আমার ১টি মোবাইল (যাতে আমার ব্যবসার সব লগইন ও ব্যাংকিং তথ্য ছিল), আমার মা ও জেঠাতো ভাইয়ের মোবাইলসহ মোট ৫টি মোবাইল নিয়ে যায়। আমার মায়ের গায়ের সোনা, আমার ব্যাগ ও পার্স—ব্যাগে ১,২০,০০০ টাকা ক্যাশ ছিল। এই টাকা আমি কাস্টমারদের কাছে ডেলিভারি দিয়ে পেয়েছিলাম, ভেবেছিলাম ঢাকায় ফিরে ব্যাংকে জমা দেব, কিন্তু তা আর হলো না।
ভয়ে আমরা তাদের সবকিছু দিয়ে দিই। তাদের কাছে বড় দা, কুড়ালসহ আরও অস্ত্র ছিল। ডাকাতির পর পুলিশ আসে—কিন্তু তাতে কী লাভ? ঘটনার পরে পুলিশ এসে কী করবে? রাস্তায় কোনো পাহারা নেই। আমরা কোন দেশে বাস করি? কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো নিয়ম নেই। ওদের ক্রসফায়ার দেওয়া হয় না কেন? পুলিশ বলেছে, ওদের নাকি ১০/১২ বার জেলে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু আইনজীবী আর বিচারকরা ওদের ছেড়ে দেয়।
সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এই আইনজীবী ও বিচারকরা, যারা জেনে-বুঝে ওদের পক্ষে কাজ করে এবং ছাড়িয়ে আনে। যদি কোনো ডাকাত কাউকে কুপিয়ে দিত, তাহলে কি সেটার কোনো বিচার হতো? আমার ছোট বোনের আঙুলে কুপ দিতে নিয়েছিল, কিন্তু কান্নাকাটি করে কোনোভাবে সরাতে পেরেছি। কাচ ভাঙার কারণে আমার মা, বোন ও ভাইয়ের গাল-মুখ থেকে রক্ত বের হয়েছে।
একজন লোকও গাড়ি থেকে নেমে সাহায্য করেনি—সবাই দাঁড়িয়ে তামাশা দেখছিল। সবার কাছে সাহায্য চেয়েছি, কেউ সামনে আসেনি। ওরা একবার সবকিছু নিয়ে চলে যায়, পরে আবার ফিরে এসে যা পায়নি তাও নিয়ে যায়। গাড়িটাকে আরও বেশি আঘাত করে ভেঙে ফেলে।
মানুষ এমনিই এই দেশকে গালি দেয় না, এমনিই দেশ ছেড়ে চলে যায় না—এটাই তার কারণ। কোনো নিরাপত্তা নেই, জীবনের কোনো ভরসা নেই।
নোট: কয়েকদিন ডেলিভারি দেরি হবে। আমাদের একটু সময় লাগবে সবকিছু থেকে রিকভার করতে!
জরুরী প্রয়োজনে রাতে যারা চলাচল করেন তাদের আরো সতর্ক থাকা এবং সচেতন হওয়া জরুরী।
Reporter Name 









