✪ টাইমস অব ক্যাম্পাস ডেস্ক রিপোর্ট :
নতুন শিক্ষাবর্ষের শুরুতে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবই পেলেও মাধ্যমিকের অনেক শিক্ষার্থী এখনো বই পায়নি। এর মধ্যেই প্রকাশিত অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ের অনলাইন সংস্করণে পরিবর্তন দেখা গেছে। নতুন পাঠ্যবই থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে।
এবারের নতুন পাঠ্যবইয়ে দেখা যায়, মাধ্যমিকের অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবই থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেয়া হয়েছে। ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ হিসেবে এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম হিসেবে গদ্যাংশে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এবারের নতুন পাঠ্যবইয়ে সেটি বাদ দেয়া হয়েছে। ফলে সেখানে মোট ১২টি গদ্যের মধ্যে এবার ১১টি গদ্যের স্থান হয়েছে।
অন্যদিকে, পাঠ্যবইয়ে পূর্বের মতোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অতিথির স্মৃতি, কাজী নজরুল ইসলামের ভাব ও কাজ, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পড়ে পাওয়া, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈলচিত্রের ভূত, মোতাহের হোসেন চৌধুরীর লাইব্রেরি, মমতাজউদদীন আহমদের সুখী মানুষ, মুস্তাফা মনোয়ারের শিল্পকলার নানা দিক, বিপ্রদাশ বড়ুয়ার মংডুর পথে, শামসুজ্জামান খানের বাংলা নববর্ষ, হুমায়ুন আজাদের বাংলা ভাষার জন্মকথা এবং গণঅভ্যুত্থানের কথা সংকলিত গদ্য।
তাছাড়া, অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ের কবিতাংশে আগের মতো এবারো ১৩টি কবিতার স্থান হয়েছে।
জানা গেছে, এর আগে মাধ্যমিকের অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবইয়ের গদ্যাংশে শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ শিরোনামে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত ছিল। পাঠ্যবইয়ের ৩১ থেকে ৩৬ পৃষ্ঠাজুড়ে ভাষণটির প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব তুলে ধরে সম্পূর্ণ ভাষণটি সংযোজন করা হয়েছিল।
তবে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ব্যাপক বদল এসেছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ পাঠ্যবই থেকে বাদ গেল শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ।
এনসিটিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর পাঠ্যবইয়ে নানা সংশোধন এসেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ে শেখ মুজিব নিয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য বাদ দিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে লিখিতভাবে চিঠি দেয় সরকারের বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপা ও বিতরণের দায়িত্বে থাকা এই সংস্থাটিকে। এরপর এনসিটিবি এই সংশোধনের উদ্যোগ নেয়।
Reporter Name 









