✪টাইমস অব ক্যাম্পাস প্রতিবেদক:
ফাইল আটকে ঘুষ নিচ্ছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। কিন্তু নির্বিকার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত উচ্চ গণিত বিষয়ের শিক্ষকদের এমপিও ও ইএফটি (ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার) ফাইল আটকে রেখে ঘুষ নিচ্ছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. সিদ্দিক নুর আলম। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষকরা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষকরা রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর অভিযুক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিক নুর আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। মাউশি অধিদপ্তরকেও একই অভিযোগ জানালেও কোনো কাজ হয়নি। অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার কর্তাদের ম্যানেজ করেছেন মর্মে অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার ৪৮টি মাধ্যমিক, ১০টি নিম্ন মাধ্যমিক, ১৯টি মাদরাসা ও ৫টি কলেজর দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন অভিযুক্ত সিদ্দিক নুরে আলম। এখানে যোগদানের পর থেকেই তিনি নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।
ভুক্তভোগী শিক্ষক আশরাফ জুট মিল স্কুলের শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক তরিকুল ইসলাম, ভুলতা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক আব্দুল মাজীদসহ আরো অনেকের অভিযোগ, রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উচ্চ গণিত বিষয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রায় ৪০ জনের বেশি শিক্ষক নিয়ম অনুযায়ী এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসের কিছু কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে তাদের এমপিও ফাইল আটকে রেখে এমপিও ফাইল নিষ্পত্তির জন্য জনপ্রতি ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা না দেয়ায় তাদের ফাইল অনুমোদন না করে ইচ্ছাকৃতভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু এটিই শেষ নয় পরবর্তীতে এমপিও কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও ইএফটি আবেদনেও একইভাবে পুনরায় ঘুষ দাবি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শিক্ষকরা।
ভুক্তভোগী শিক্ষকদের আরো অভিযোগ, সাইফুল ইসলাম নামের এক শিক্ষকের কাছে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিক নুর আলম ঘুষ দাবি করেন। যা প্রমাণ হিসেবে অডিও রেকর্ড রয়েছে।
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অভিযুক্ত সিদ্দিক নুরে আলম দাবি করেন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা।
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জয় সাংবাদিকদের বলেন, ঘুষ দাবি করার অভিযোগে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিক নূরে আলমের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন শিক্ষক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা সহকারী কমিশনার ভূমিকে প্রধান করে তিন সদস্য কমিটি করে দিয়েছি। ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে তারা প্রতিবেদন দাখিল করবেন। ওই তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Reporter Name 









