১২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’, ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ ও ‘বাংলাদেশ ছাত্রশক্তি’। এর মধ্যে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ নামটিই বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে।

‘বাগছাস’ বিলুপ্ত, নতুন নামে ফিরে আসছে ‘ছাত্রশক্তি’

  • ✪ ধ্রুব নয়ন :
  • সময় ০৯:১৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬৯ ভিউ হয়েছে

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) বিলুপ্ত হয়ে নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক ও এনসিপির বর্তমান সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করা ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’ নামেই পুনর্গঠিত হচ্ছে সংগঠনটি। এনসিপির আদর্শিক সহযোগী সংগঠন হিসেবে নতুন কাঠামো ও নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করবে এই ছাত্র সংগঠন।

এর আগে ডাকসু নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় পুনর্গঠনের ঘোষণা দিয়েছিল বাগছাস। এবার সেই ধারাবাহিকতায় বৃহত্তর পরিসরে পুনর্জন্ম নিতে যাচ্ছে সংগঠনটি।

আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে বাগছাসের জাতীয় সমন্বয় সভা। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে সংগঠনের নতুন নাম, কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক কমিটি এবং রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা।

সংগঠনটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন সংগঠনের নাম হিসেবে তিনটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে—‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’, ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ ও ‘বাংলাদেশ ছাত্রশক্তি’। এর মধ্যে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ নামটিই বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে।

প্রস্তাবিত নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি সর্বোচ্চ ১০১ সদস্যের হতে পারে। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটকে “বিশেষ শাখা” হিসেবে ঘোষণা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বিত “সুপার ফোর” কাঠামোতে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাগছাসের শীর্ষ নেতাদের দাবি, সংগঠনের ভেতরে অনুপ্রবেশকারীদের কারণে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছিল। বিশেষ করে ছাত্রশিবির সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ‘স্যাবোটাজের’ অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই এবার নেতৃত্ব নির্বাচনে কড়া যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

বাগছাসের আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার বলেন,
“যাদের বিরুদ্ধে অন্য আদর্শ বা সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের রাখা হবে না। আমরা আদর্শিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি—ওয়েলফেয়ার নয়, বরং ছাত্রসমাজকেন্দ্রিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে চাই।”

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৪ অক্টোবর ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’। এতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক।

তবে পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে ১৩ সেপ্টেম্বর সংগঠনটির সব কমিটি স্থগিত করা হয়। এরপর ওই দলের কিছু নেতা মিলে গঠন করেন বাগছাস। কিন্তু সাম্প্রতিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় আবারও নতুন নামে ও রূপে সংগঠনটির ফিরে আসার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

ড. ইউনুস সহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে আইনি নোটিশ

‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’, ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ ও ‘বাংলাদেশ ছাত্রশক্তি’। এর মধ্যে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ নামটিই বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে।

‘বাগছাস’ বিলুপ্ত, নতুন নামে ফিরে আসছে ‘ছাত্রশক্তি’

সময় ০৯:১৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) বিলুপ্ত হয়ে নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক ও এনসিপির বর্তমান সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করা ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’ নামেই পুনর্গঠিত হচ্ছে সংগঠনটি। এনসিপির আদর্শিক সহযোগী সংগঠন হিসেবে নতুন কাঠামো ও নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করবে এই ছাত্র সংগঠন।

এর আগে ডাকসু নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় পুনর্গঠনের ঘোষণা দিয়েছিল বাগছাস। এবার সেই ধারাবাহিকতায় বৃহত্তর পরিসরে পুনর্জন্ম নিতে যাচ্ছে সংগঠনটি।

আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে বাগছাসের জাতীয় সমন্বয় সভা। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হবে সংগঠনের নতুন নাম, কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক কমিটি এবং রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা।

সংগঠনটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নতুন সংগঠনের নাম হিসেবে তিনটি প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে—‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’, ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ ও ‘বাংলাদেশ ছাত্রশক্তি’। এর মধ্যে ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’ নামটিই বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে।

প্রস্তাবিত নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি সর্বোচ্চ ১০১ সদস্যের হতে পারে। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটকে “বিশেষ শাখা” হিসেবে ঘোষণা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বিত “সুপার ফোর” কাঠামোতে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাগছাসের শীর্ষ নেতাদের দাবি, সংগঠনের ভেতরে অনুপ্রবেশকারীদের কারণে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছিল। বিশেষ করে ছাত্রশিবির সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ‘স্যাবোটাজের’ অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাই এবার নেতৃত্ব নির্বাচনে কড়া যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে।

বাগছাসের আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার বলেন,
“যাদের বিরুদ্ধে অন্য আদর্শ বা সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের রাখা হবে না। আমরা আদর্শিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি—ওয়েলফেয়ার নয়, বরং ছাত্রসমাজকেন্দ্রিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী ছাত্র সংসদ নির্বাচনে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে চাই।”

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৪ অক্টোবর ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি’। এতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক।

তবে পরবর্তীতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে ১৩ সেপ্টেম্বর সংগঠনটির সব কমিটি স্থগিত করা হয়। এরপর ওই দলের কিছু নেতা মিলে গঠন করেন বাগছাস। কিন্তু সাম্প্রতিক ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় আবারও নতুন নামে ও রূপে সংগঠনটির ফিরে আসার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।